সবকিছু হাতের মুঠোয় চান ট্রাম্প

সিআইএর সাবেক পরিচালক জন ব্রেনানের সরকারি তথ্য পাওয়ার অধিকার রদ করে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনিতে ট্রাম্প দৃশ্যত সীমাহীন প্রতিহিংসাপরায়ণ মানুষ। কিন্তু ব্রেনানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্প যে শুধু ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই আরোপ করেছেন, তা ভাবা মোটেও ঠিক হবে না।

এ কথা সত্যি যে ব্রেনান বেশ কয়েকবারই ট্রাম্পের আচার-আচরণ ও রাশিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক থাকাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিরাট হুমকি বলে আখ্যায়িত করেছেন। সে কারণে তাঁর ওপর ট্রাম্পের খাপ্পা হওয়ারই কথা।

কিন্তু ব্রেনানের ওপর নিষেধাজ্ঞার পেছনে ব্যক্তিগত রেষারেষির বাইরে আরও বড় কারণ আছে বলে মনে হয়। দুই বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে ট্রাম্প গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আক্রমণ করে আসছেন। এখন তিনি ব্রেনানের গালে চপেটাঘাত করে সব কটি গোয়েন্দা সংস্থাকে পরোক্ষভাবে পদানত করার চেষ্টা চালিয়েছেন।

ট্রাম্পের এই কাজ পশ্চিমা দেশগুলোর গণতন্ত্রের জন্যও ‘স্বাস্থ্যকর’ হয়নি। কারণ, ইউরোপের জনতুষ্টিবাদীরাও ট্রাম্পের ওই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা শুরু করে দিয়েছে।

ইউরোপে যেসব ডানপন্থী দল ক্ষমতায় চলে এসেছে, তারাও এখন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে হাতের মুঠোয় রাখার বিষয়ে আদাজল খেয়ে নেমেছে।

LEAVE A REPLY