সড়ক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট জরিমানার টাকা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবহার করলে ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি চালনা কমানো যাবে

সাইমন ফোস্টার ও ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের মেয়র রিচার্ড পার্কার যৌথভাবে জানিয়েছেন, সড়ক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট জরিমানার টাকা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবহার করলে ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি চালনা কমানো যাবে। তাদের মতে, প্রতি বছর অঞ্চল থেকে প্রায় ২০ লাখ পাউন্ড জরিমানা সরকার নিয়ে নেয়, অথচ স্থানীয় পুলিশ ও কাউন্সিলের পরিচালিত ক্যামেরা প্রকল্পগুলোতে ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ২২ লাখ পাউন্ড।

ফোস্টার বলেন, বর্তমান ব্যবস্থা ভাঙা ও অটেকসই। আইন মানা সাধারণ মানুষ ও করদাতাদের নয়, বরং অপরাধীদেরই এসব খরচ বহন করা উচিত। পার্কারও একমত হয়ে বলেন, আমাদের রাস্তায় এখনও অনেক জীবন ঝরে যাচ্ছে বা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাই পরিবর্তন জরুরি।

এই সপ্তাহে পাঠানো চিঠিটি হোম অফিস ও ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্টের (DfT) উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। তবে পরিবহন দফতরের একজন মুখপাত্র জানান, সব জরিমানার টাকা ট্রেজারির তহবিলে যায় এবং তা জনসেবা খাতে ব্যয় হয়। তাই এই নীতিতে পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই।

এদিকে ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে এ বছর দুজন নতুন নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ এবং একটি রোড সেফটি অ্যাকশন প্ল্যান ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রাণঘাতী বা গুরুতর দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনা এবং ২০৪০ সালের মধ্যে শূন্যে নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।