গেল প্রীতি ম্যাচে সুইসদের সঙ্গে কোনো মতে ১-১ গোলে সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী দল স্পেন। এরপর শনিবার রাতের খেলায় তিউনেসিয়ার মতো দল পেয়ে জ্বলে উঠবেন রামোস-ইনিয়েস্তারা এমনটাই ভাবছিলেন স্পেন ভক্তরা। কিন্তু আজ পুরো খেলায় মনে হচ্ছিল গোলমুখ যেন চেনেনই না স্পেনের খেলোয়াড়েরা! শেষতক ইয়াগো আসপাসের একমাত্র গোলে তিউনেসিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয় স্পেন। তবে, টেলিভিশন ধারাভাষ্যকারের একটা কথা আক্ষরিক অর্থেই সত্যি মনে হচ্ছিল—এভাবে খেললে বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব নয়।
তিউনেসিয়ার বিপক্ষে ৪-৫-১ ছকে খেলতে নামা স্পেন অবশ্য বল দখলে এগিয়ে ছিল খেলার শেষ পর্যন্ত। কিন্তু তিউনেসিয়ার ডি-বক্সে গেলেই এলোমেলো হয়ে যায় সব। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই সুবিধাজনক জায়গায় ফ্রি-কিক পায় স্পেন। ইসকোর দুর্বল শটে সুযোগ হাতছাড়া হয়। ১২তম মিনিটে দুর্দান্ত সুযোগ পায় তিউনেসিয়া। সেটা কাজে লাগাতে পারেননি বাদ্রি-সাসিরা। দুর্বল ফিনিশিংয়ের কারণে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ তিউনেসিয়া। ১৯তম মিনিটে তিউনেসিয়ার স্ট্রাইকারের ভলি স্পেনের ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে রক্ষা পায় স্প্যানিশরা। বল দখলের লড়াইয়ে স্পেন এগিয়ে থাকলেও সুযোগ তৈরিতে তিউনেসিয়ার চেয়ে পিছিয়ে ছিল স্পেন। যদিও ভালো সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি তিউনেসিয়া। এই যেমন ম্যাচের ৩৪তম মিনিটে আরও একবার সুযোগ হাতছাড়া করেন তিউনেসিয়ার স্ট্রাইকার। এরপর আর গোল না পেলে স্কোরলাইন ০-০ রেখেই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই দশা! ম্যাড়ম্যাড়ে এক খেলা। দুই দলের কোচই খেলোয়াড় বদলি করে খেলায় রং লাগানোর চেষ্টা চালান। তবু গোল পাচ্ছিল কেউ। না তিউনেসিয়া; না স্পেন। ৭৮তম মিনিটে জর্ডি আলবাকে তুলে নিয়ে ইয়াগো আসপাসকে নামান স্পেন কোচ। কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে খুব বেশি সময় নেননি আসপাস। ৮৪তম মিনিটেই দলকে এনে দেন সেই কাঙ্ক্ষিত গোল। তিউনেসিয়ার গোলরক্ষক আটকে না দিলে গোলটি অবশ্য ডিয়াগো কস্তাই পেতে পারতেন। গোল যার পা থেকেই আসুক। স্পেন জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। স্পেন সমর্থকদের কাছে এটাই বড়।






