তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সেকেন্ড হ্যান্ড পোশাকের জনপ্রিয়তা বাড়ায় ব্রিটেনের চ্যারিটি শপগুলো এখন জমজমাট হয়ে উঠেছে। ভিন্টেড এবং ডিপপ-এর মতো অ্যাপ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তরুণরা এখন পুরনো পোশাক কেনায় বেশি আগ্রহী হচ্ছে। সেভ দ্য চিলড্রেনের মতো সংস্থাগুলোর বিক্রি গত এক বছরে প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছে। মূলত টেকসই ফ্যাশনের দিকে তরুণদের ঝোঁক এই পরিবর্তনের মূল কারণ। বিপুল সংখ্যক তরুণ এখন এসব দোকানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবেও কাজ করছে।
গত বছর ব্রিটেনের সাধারণ খুচরা বিক্রির তুলনায় চ্যারিটি শপগুলোর ব্যবসার হার ছিল অনেক বেশি। চ্যারিটি রিটেইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে এই খাতে গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ১.৪ শতাংশ। বিশেষ করে গত ডিসেম্বরে সেভ দ্য চিলড্রেন আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ বেশি আয় করেছে যা প্রায় ১০ লাখ পাউন্ডের সমান।
চ্যারিটি শপগুলোর এই সাফল্যের পেছনে ভিন্টেড এবং ইবে-র মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা অ্যালিসন সোয়াইন-হিউজ জানান যে মানুষ এখন পুরনো জিনিসের পুনর্ব্যবহারে অনেক বেশি আগ্রহী। তারা নিজেরাই এখন বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শীর্ষ বিক্রেতা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।
তবে মুদ্রাস্ফীতি এবং কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ফলে লাভের পরিমাণ ধরে রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। চ্যারিটি রিটেইল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান রবিন অস্টারলি জানান যে ঘরভাড়া ও বিদ্যুতের দাম বাড়ায় কিছু চ্যারিটি শপ বন্ধও হয়ে গেছে। কিন্তু অনলাইনে বিক্রি বাড়ানো এবং বড় পরিসরে দোকান খোলার মাধ্যমে তারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের সংখ্যা বৃদ্ধি এই খাতের জন্য একটি বড় ইতিবাচক দিক। সেভ দ্য চিলড্রেনের নতুন স্বেচ্ছাসেবীদের ৪২ শতাংশই এখন ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী। তরুণরা এখন অনেক বেশি সচেতনভাবে খরচ করতে চায় এবং পরিবেশ রক্ষায় সেকেন্ড হ্যান্ড ফ্যাশনকে প্রাধান্য দিচ্ছে।






