বৃষ্টি কমে গিয়ে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য আর ভাদ্রের প্রখর রোদে সারাদেশে ভ্যাপসা গরম বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা খুব বেশি না থাকলেও বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। ঘরে-বাইরে সবখানেই এতটা ভ্যাপসা গরম যে মনে হচ্ছে গ্রীষ্মের তাপমাত্রাকেও হার মানিয়েছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। গরমের তীব্রতায় ছটফট করছে সারাদেশের মানুষ। সহসা এই গরম কমার কোনো লক্ষণ নেই। এই অবস্থা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া-বিদরা।আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মাঝারি তাপপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪২-এর বেশি হলে তা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলে গণ্য হয়।এদিকে থেকে চলতি মাসের প্রথম দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় সিলেটে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানীতে ওই দিন তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমেছে। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকছে । তবে কোনো দিন হয়তো কোনো নিদিষ্ট এলাকায় দিনের কখনো বা সেটা ৩৫ ডিগ্রি কিংবা এর কিছুটা বেশি উঠছে। আবহাওয়ার এ অবস্থা শুধু রাজধানী ঢাকায় নয়, সারাদেশেই মোটামুটি একই রকম তাপমাত্রা বিরাজ করছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রাজধানী ঢাকায় শনিবার দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৫৮ শতাংশ। এর আগের দিন শুক্রবার রাজধানী ঢাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সারাদেশে মধ্যে লক্ষীপুরের রামগতিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।






