অর্থনীতি ও সামরিক শক্তি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা

সেই বছরের আগস্টের শুরুর দিকেই অনেকের আশঙ্কা সত্যে পরিণত হয়েছিল। কুয়েতে আগ্রাসন শুরু করল ইরাক। কুয়েতের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সেখান থেকে ইরাকি সৈন্যদের হটানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বড় আকারের আন্তর্জাতিক জোট গঠন করতে হয়েছিল।

রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে কি এখন সেই একই ধরনের বহুমাত্রিক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে? যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার এই সামরিক সমাবেশকে অম্ল-মধুর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। এটির উদ্দেশ্য হচ্ছে রাশিয়া যাতে ইউক্রেনে আক্রমণ না চালায়। যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করে বলেছে যে হামলা করা হলে রাশিয়াকে তাদের ধারণার চেয়েও বেশি ক্ষতির শিকার হতে হবে। আর রাশিয়া যদি তাদের অবস্থান থেকে ফিরে আসে, তাহলে রাশিয়ার স্বার্থসংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া হবে। কূটনীতিকে আশ্রয় করে বাধা তৈরি করার দৃষ্টান্ত এটি।