এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে নুসরাত নামের এক তরুণীর সঙ্গে কথা হয়েছিল। ‘ওবোন’ নামের রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানের চালক নুসরাতের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েন তাঁকে বাধ্য করেছিল বাড়ি ছাড়তে। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর ভিটিপাড়া গ্রাম থেকে নুসরাত যখন ঢাকায় আসেন, তখন হাতে ছিল একটি স্মার্টফোন। সম্বল বলতে এতটুকুই। আর হ্যাঁ, সাহস তো ছিলই। সাহস আর স্মার্টফোন পুঁজি করে নুসরাত এখন ঢাকা শহর চষে বেড়াচ্ছেন। দাঁড়িয়েছেন নিজের পায়ে। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর ওপর নির্ভর করছেন গর্বের সঙ্গে। নুসরাত বলছিলেন, ‘স্মার্টফোন আমাকে পথ দেখিয়েছে।’
নুসরাতের মতো অনেকেই স্মার্টফোনকেন্দ্রিক জীবিকার পথ খুঁজে নিচ্ছেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাব অনুযায়ী, দেশে এ বছরের জুন মাস পর্যন্ত মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৬ কোটি ১৭ লাখ। আর মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে ৯ কোটির বেশি মানুষ।






