কাজানে দুই দল মাঠে নেমেছে একই ছক কষে, ৪-১-৪-১। স্পেন ঠিক আছে। ইরানের বেলায় সেটি শুধু কাগজে-কলমেই রইল। কার্লোস কুইরোজের পরিকল্পনায় যে শুধু অতিরক্ষণাত্মক কৌশল ছিল সেটি তো বোঝাই গেল। ইরানের রক্ষণ সামলানোর দায়িত্বে থাকলেন নয়জন! জার্সির রং লাল হওয়ায় ইরানের ডি-বক্স কখনো কখনো মনে হলো ‘লাল দুর্গ’! এই দুর্গ ভাঙলেন দিয়েগো কস্তা। কস্তার গোলটাই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিল।
ম্যাচ ড্র করতে পারলে ইরানের পয়েন্ট হতো ৪, স্পেনের ২। ইরানের তখন দ্বিতীয় পর্বে যাওয়ার আশা অনেকটাই উজ্জ্বল হতো। বিপরীত দশা হতো স্পেনের। স্প্যানিশদের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক খেলে পারা যাবে না। আর ড্র করলেই যেখানে সমীকরণটা সহজ হয়ে যায়, সেখানে ইরানের রক্ষণাত্মক কৌশল বেছে নেওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক। তাতে কাজও হচ্ছিল। প্রথমার্ধে ভালোভাবে আটকে রাখা গেল স্পেনকে। স্পেন যত আক্রমণই রচনা করুক, সেগুলো কোনোটিই ইরানের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি।






