বর্তমান সময়ে চাল, ডাল, কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসও অনলাইনে কেনা সম্ভব, তা এখন অনেকেই জানেন। আজকাল অধিকাংশ মানুষ অনলাইনের মাধ্যমেই কাঁচাবাজার করছেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করছেন। ঘর সাজানোর সামগ্রী থেকে শুরু করে পোশাক কিংবা ইলেকট্রনিকস—সবই মিলছে এক ক্লিকে।
এমনকি যারা দীর্ঘদিন ধরে গরুর হাটে গিয়ে শিং দেখে, দাঁত পরীক্ষা করে কিংবা গরুর গুঁতো খেয়ে কোরবানির গরু কেনার অভিজ্ঞতায় অভ্যস্ত ছিলেন, তাদেরও অনেকেই এখন খামারের গরু অনলাইনে দেখে পছন্দ করছেন ঘরে বসেই।এমনকি যারা দীর্ঘদিন ধরে গরুর হাটে গিয়ে শিং দেখে, দাঁত পরীক্ষা করে কিংবা গরুর গুঁতো খেয়ে কোরবানির গরু কেনার অভিজ্ঞতায় অভ্যস্ত ছিলেন, তাদেরও অনেকেই এখন খামারের গরু অনলাইনে দেখে পছন্দ করছেন ঘরে বসেই।আজকের দিনের ই-কমার্সকে আমরা সম্পূর্ণ ইন্টারনেটনির্ভর ব্যবসা হিসেবে জানলেও, এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ইন্টারনেট আসার বহু আগে। গত শতাব্দীর ষাটের দশকে (১৯৬০ সালে) চালু হয় EDI বা ইলেকট্রনিক ডেটা ইন্টারচেঞ্জ সিস্টেম। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ব্যবসায়িক তথ্য একটি নির্দিষ্ট ইলেকট্রনিক ফরম্যাটে সংরক্ষণ ও বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। মূলত সেখান থেকেই ই-কমার্সের কাঠামোগত ভিত গড়ে ওঠে। সে সময় ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়ায় ফোনে অর্ডার গ্রহণ এবং ডাকযোগে পণ্য সরবরাহের প্রচলন ছিল।






