উপকারিতা
লালশাকে প্রচুর আয়রন রয়েছে। তাই নিয়মিত এ শাক খেলে রক্তশূন্যতা দূর হয়। এ ছাড়া এ শাকের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ ও ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি রক্তে কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়। লালশাকে ক্যালরির পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। মানবদেহের দাঁত ও অস্থি গঠনে, দাঁতের মাড়ির সুস্থতা রক্ষায় এবং মস্তিষ্কের বিকাশে লালশাকের কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। এ শাকের আঁশ বা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটা বাড়তি ওজন কমাতেও সহায়ক।
রঙিন হওয়ার কারণে শিশুরাও লালশাক খেতে পছন্দ করে। বাজার থেকে লালশাক এনে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প তাপে সামান্য তেলে রান্না করলে এ শাকের পুষ্টিগুণ বজায় থাকে বেশি। পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা বিবেচনা করে নিত্যদিনের পাতে লালশাক রাখার চেষ্টা করুন।






