বাংলাদেশ দল তখন ১৬ বলে ৩৩ রানের দূরত্বে। এ সময় মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ ফসকান ক্রুনাল পাণ্ডিয়া। পরে রোহিত শর্মার মুঠো ফসকে ম্যাচটাও ছুটে যায়। বলা ভালো ‘জীবন’ পাওয়া মুশফিকই ছিনিয়ে নেন। দিল্লিতে পরশু সিরিজে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ক্রুনালের ক্যাচ ফসকানো অনেকের কাছেই ম্যাচের ‘টার্নিং পয়েন্ট’। তবে অপেক্ষাকৃত ভালো দল হয়েও ভারত এ ম্যাচে বেশ কিছু ভুল করেছে। এমনিতে বাংলাদেশের ম্যাচে ‘বাংলাদেশ কী কী ভুল করেছে’—এমন বিশ্লেষণ দেখতেই অভ্যস্ত সবাই। কিন্তু প্রতিপক্ষ যত ভালো দলই হোক না কেন, ভুল তো তাদেরও হয়!
টোয়েন্টি চার-ছক্কার খেলা হলেও হিসেবটা করতে হয় ঠান্ডা মাথায়। ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে দল গোছাচ্ছে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে হারটা প্রমাণ করে দিয়েছে, দল গোছানো নিয়ে ভারতকে আরও কুশলী হতে হবে। যশপ্রীত বুমরা ও ভুবনেশ্বর কুমারের অনুপস্থিতিতে ডেথ ওভারে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের বিপদে ফেলতে পারেননি খলিল আহমেদ-যুজবেন্দ্র চাহালরা। টপ অর্ডারও উড়ন্ত সূচনা পাচ্ছে না। মহেন্দ্র সিং ধোনি ও হার্দিক পাণ্ডিয়া না থাকায় লোয়ার মিডল অর্ডার থেকে ছক্কা আসার হারও কমেছে। বাংলাদেশের কাছে রোহিত শর্মার দল ক্রিকেটীয় যেসব জায়গায় মার খেয়ে গেছে তারই বিশ্লেষণ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’।
সাদামাটা সংগ্রহ:
রোহিত শর্মা-মুশফিকুর রহিম থেকে বিশ্লেষকেরা ভেবেছিলেন ভারতের স্কোরটা লড়াকু। রোহিত এর পক্ষে যুক্তিও দেন ম্যাচ শেষে, ‘আগে ব্যাট পেলে ভেবেছিলাম ১৪০-১৫০ রানের মতো করব। ১৪৮ রান ভালো সংগ্রহ। আমরা মাঠে কিছু ভুল করেছি। অনভিজ্ঞরা এখান থেকে শিখতে পারবে।’ কিন্তু পূর্ণ শক্তির বোলিং লাইন আপ ছাড়া এই স্কোরকে লড়াকু বলা কি কিছুটা দুঃসাহসের প্রকাশ নয়? দিল্লির সেই (অরুণ জেটলি) মাঠে আগে ব্যাট করা দলের গড় সংগ্রহ ১৫৬। তাহলে?






