ব্যাংকে ঋণের জন্য ধরনা দিতে গেলে হয়তো সময় লেগে যেত অনেক। ক্ষয় হয়ে যেত জুতার তলা, কিন্তু আরাফাত কীর্তি এবং আরাফাত মহসীনকে জুতার তলা ক্ষয় করতে হয়নি। তাঁরা এসব না করেই পেয়ে গিয়েছিলেন ঋণ। তবে ব্যাংক থেকে নয়, মায়ের কাছ থেকে। সেটা দিয়েই করেছিলেন স্টুডিও। নিয়মিত হয়েছেন গানে। বছর পেরোতেই মায়ের সেই টাকা তো শোধ করেছেনই, আবার স্টুডিওটাও বড় করেছেন।
আরাফাত কীর্তি আর আরাফাত মহসীনকে মানুষ চেনে কীর্তি আর নিধি নামে। মহসীনের ডাকনাম তো নিধি। সম্প্রতি ঢাকার নিকেতনে তাঁদের স্টুডিওতে বসে কথা হয় সংগীতশিল্পী দুই ভাইয়ের সঙ্গে। আলাপের শুরুতেই জানতে চাই—‘আপনারা তো পেছনের মানুষ। শব্দ, মিউজিক, গান নিয়ে কাজ-কারবার। মানুষ আপনাদের কেন চিনবে বা মনে রাখবে বলুন তো?’






