‘তনুশ্রী একটি অসমাপ্ত জীবন। সম্ভাবনার ফুলকি ঝরিয়ে অকালে তাঁর চলে যাওয়া আমাদের ব্যথিত করেছে। তারুণ্য ও সৃজনশীলতার প্রতীক তনুশ্রীকে অনাগতকালের তারুণ্য ও সৃজনশীলতার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার উদ্দেশ্যেই নাট্যধারা যোগ্যতম সৃজনশীল নাট্যতরুণের মূল্যায়ন, স্বীকৃতি, উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণায় প্রবর্তন করে তনুশ্রী পদক। নাট্যধারার মাঝে তনুশ্রী বেঁচে থাকবেন।
প্রতিষ্ঠার ২৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে নাট্যদল নাট্যধারা আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রয়াত নাট্যকর্মী তনুশ্রী স্মরণে এমন মন্তব্য করেন বক্তারা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনে তিন দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে নাট্যধারা। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া উৎসবের উদ্বোধনী দিনে তনুশ্রী পদক প্রদান করা হয় তরুণ নাট্যকর্মী রেজা আরিফকে। শনিবার পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে চলবে এ উৎসব।
বৃহস্পতিবার প্রয়াত নাট্যকর্মীর স্মরণে ‘তনুশ্রী নাট্য প্রাণ বন্দনা’র সঙ্গে নাচ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি। সন্ধ্যাকালীন অনুষ্ঠানে তনুশ্রী গায়েন স্মরণে তনুশ্রী বন্দনা পরিবেশন করেন কবিরুল ইসলাম এবং নৃত্যসংগঠন নৃত্যলোক। ঢাকের চিরায়ত বাজনার তালে তালে বেলুন উড়িয়ে ও প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে উৎসব উদ্বোধন করেন ২৭টি নাট্যসংগঠনের ২৭ গুণী নাট্যকর্মী। এরপর সন্ধ্যায় নাটক মঞ্চায়নের আগে অকালপ্রয়াত নাট্যশিল্পী তনুশ্রী গায়েন নিবেদিত তনুশ্রী পদক প্রদান করা হয়।






