বড় ম্যাচে, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট ম্যাচগুলোতে পেপ গার্দিওলার অতিরিক্ত পরীক্ষা–নিরীক্ষা করার অভ্যাস নতুন নয়। এই অভ্যাস গার্দিওলাকে সাফল্য দিয়েছে যেমন, ব্যর্থতা উপহার দিয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি। ম্যাচের আগে তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছিল, টুখেল তো বটেই, এই ম্যাচে গার্দিওলার আরেক শত্রু গার্দিওলা নিজেই।
প্রথমেই সাফল্যের দু-একটি কথা মনে করা যাক। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ এক লিগ ম্যাচের আগে লিওনেল মেসিকে উইং থেকে মাঝে টেনে এনে খেলালেন ‘ফলস নাইন’ হিসেবে। অর্থাৎ যে স্ট্রাইকার না, তাঁকে ‘ছায়া স্ট্রাইকার’ হিসেবে খেলানো। মেসিও প্রথাগত স্ট্রাইকারের মতো বসে না থেকে মৌমাছির মতো ঘুরে বেড়ালেন রিয়াল রক্ষণের আশপাশে।
মেসিকে বক্সের মধ্যে মার্ক করবেন, না মেসির পিছে পিছে মাঠময় ঘুরে বেড়াবেন, সে দ্বিধায় নিজেদের রক্ষণ ছত্রখান করে ফেললেন পেপে-রামোস নিজেরাই। ফলাফল? রিয়ালের মাঠ থেকে বার্সেলোনা জিতে ফিরল ৬-২ গোলে। বড় ম্যাচের আগে গার্দিওলার এই এক আবিষ্কারেই এল সাফল্য।






