গায়ানিজরা বড় আশা নিয়ে তাকিয়ে ছিল শিমরন হেটমায়ারের দিকে। ‘লোকাল হিরো’ বলেই নয়, তিনি যতক্ষণ ছিলেন, ক্যারিবীয়দের স্বপ্নটা যে টিকে ছিল! মোস্তাফিজুর রহমানের বলে সাকিব আল হাসানের ক্যাচ হয়ে ফিরতেই পার্টি স্ট্যান্ডে গায়ানিজ গান বেজে উঠল। আর তাতে কিছু দর্শককে শরীর দুলিয়ে নাচতে দেখা গেল।
ঘটনা কী? হেটমায়ারের বিদায়ের পর যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরাজয় আসন্ন, তখন মনে এত ফুর্তি আসে কী করে স্বাগতিক দর্শকদের? ক্যারিবীয়দের এত সব বুঝতে বয়ে গেছে! তারা মাঠে এসেছেন মজা করতে। মিউজিকের শব্দ কানে এলেই হলো, আপনাআপনি শরীরটা দুলে উঠবে তাদের। হেটমায়ারের আউটের পর আন্দ্রে রাসেল যখন বাংলাদেশের বোলারদের দু-একবার উড়িয়ে মারলেন, একজন প্রবীণ নারী দর্শক এত সুন্দর করে নাচছিলেন, লং অফে ফিল্ডিং করা সাব্বির রহমান তো দেখে হেসেই বাঁচেন না! সীমানা দড়িতে দাঁড়িয়ে হালকা বাতচিতও সেরে ফেললেন বাংলাদেশ দলের তরুণ ব্যাটসম্যান।






