ইংল্যান্ডে এনএইচএস কর্মী ও শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির জন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ নেই বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের ট্রেজারি। এই সিদ্ধান্তের ফলে ধর্মঘটের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষক ও এনএইচএস কর্মীদের জন্য স্বাধীন বেতন পর্যালোচনা কমিটি সরকারের প্রস্তাবিত ২.৮% এর চেয়ে বেশি বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। তবে ট্রেজারি জানিয়েছে, এই বৃদ্ধি বিদ্যমান বাজেট থেকেই দিতে হবে, ঋণ নিয়ে নয়।
শিক্ষকদের জন্য প্রায় ৪% এবং এনএইচএস কর্মীদর জন্য ৩% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে বলে খবর। এনইউ এবং এনএএসইউডব্লিউটি শিক্ষক ইউনিয়নগুলো স্কুলগুলোতে অতিরিক্ত তহবিল না পেলে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। রয়্যাল কলেজ অব নার্সিং (আরসিএন) বলেছে, ফ্রন্টলাইন সেবা থেকে টাকা কেটে বেতন বাড়ানো হলে তা তারা মেনে নেবে না।
প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার বলেন, “আমরা ধর্মঘট চাই না। এনএইচএস কর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করে সমাধান খুঁজতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “আগের সরকারের মতো আমরা এনএইচএস কর্মীদের সঙ্গে সংঘাতে যাব না। আমরা তাদের পাশে থেকে রোীর অপেক্ষার তালিকা কমিয়েছি।”
চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস গত ডিসেম্বরে ৫.৫% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ মেনে নিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ধর্মঘটের খরচ এড়াতে এবং চিকিৎসক, নার্স ও শিক্ষকদের ধরে রাখতে এই বৃদ্ধি জরুরি।” তবে এবারের সুপারিশ মেনে নেওয়া হলেও বাজেটের সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী স্টিফেন কিনক। তিনি বলেন, “আমরা শ্রমজীবী মানুষের পকেটে বেশি টাকা দিতে চাই, তবে বাজেটের ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।”
ইউনিসন এবং আরসিএন তাদের সদস্যদের সঙ্গে ধর্মঘটের বিষয়ে আলোচনা করছে। আরসিএনের জো গ্যালব্রেথ-মার্টেন বলেন, “এই বতন বৃদ্ধি পরিস্থিতি পাল্টাতে পারবে না। ফ্রন্টলাইন সেবা থেকে টাকা কাটা কর্মী ও রোগীদের জন্য অন্যায়।” এনইউ’র ড্যানিয়েল কেবেদে বলেন, “বেতন বৃদ্ধির জন্য তহবিল না দিলে শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার মান খারাপ হবে। সরকারকে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। ধর্মঘট চাই না, তবে প্রয়োজনে আমরা প্রস্তুত।”






