ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রভাব ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে

ইসরায়েলে হামাসের হামলা এবং এর জবাবে ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রভাব ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। পশ্চিম তীর, জর্ডান ও মিসরের (গাজার সীমান্তবর্তী) ফিলিস্তিন, লেবাননের হিজবুল্লাহ, তাদের অভিভাবক ইরানসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ সহিংসতা উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাব্যবস্থায়ও চিড় ধরাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমন ও আপস মীমাংসায় যে অঞ্চলভিত্তিক উদ্যোগ, তার মধ্যেই আসলে যুদ্ধের সূত্রপাত হলো। ২০১৯ সাল থেকে ইসরায়েলও মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্য’ গঠনে একটা বাস্তবভিত্তিক মীমাংসা নিয়ে আলোচনায় যুক্ত হয়েছিল। এ আলোচনার অগ্রগতি যে ব্যাপক বা অগ্রগতি নিখুঁতভাবে এগোচ্ছিল, সে কথা হয়তো বলা যায় না। কিন্তু এবার ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপট আলাদা। এমনকি ১০ বছর আগেও পরিস্থিতিএমন ছিল না।

আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশকে কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। কিন্তু এই প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া তাদের জন্য ঠিক হবে না। বরং যুদ্ধ নিরসনে নতুন কোনো উপায় খুঁজে বের করার উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারে তারা।