অভিবাসন এবং দারিদ্র্য জনগণের রাজনীতিবিদ ও সরকারের প্রতি অসন্তোষ

যুক্তরাজ্যের উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রায়নার বলেছেন, অভিবাসন এবং দারিদ্র্য জনগণের রাজনীতিবিদ ও সরকারের প্রতি অসন্তোষের প্রধান কারণ। এটি সামাজিক অস্থিরতা ও দাঙ্গার জন্ম দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অনলাইনে একাকী সময় কাটানো এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থার ঘাটতি এই সমস্যাকে আরও গভীর করছে। সরকার জনগণের উদ্বেগ মোকাবিলায় পরিকল্পনা প্রদর্শন করছে।অ্যাঞ্জেলা রায়নার মঙ্গলবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বলেন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, দ্রুত শিল্পায়ন হ্রাস, অভিবাসন, স্থানীয় সম্প্রদায় ও জনসেবার ওপর এর প্রভাব, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং অনলাইনে একাকী সময় কাটানো সমাজে গভীর প্রভাব ফেলছে। তিনি জানান, গত গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডে সবচেয়ে বেশি অশান্তি দেখা ১৮টি স্থানের মধ্যে ১৭টিই দেশের সবচেয়ে দরিদ্র এলাকা। তিনি বলেন, “ব্রিটেন একটি সফল বহুজাতিক, বহুধর্মী দেশ হলেও সরকারকে জনগণের উদ্বেগ সমাধান এবং সবার জন্য সুযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনা দেখাতে হবে।”

গত বছর সাউথপোর্টে তিন শিশুর হত্যাকাণ্ডের পর দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে, যা সুদূরপ্রসারী মিথ্যা তথ্য দ্বারা উসকে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনার বার্ষিকী ঘনিয়ে আসায় মন্ত্রীরা অভিবাসন ও জাতিগত অশান্তির নতুন ঢেউ নিয়ে উদ্বিগ্ন। ডাউনিং স্ট্রিট জানায়, গত ১০ বছরে অভিবাসনের উচ্চ হার, অবৈধ অভিবাসনসহ জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন সামাজিক সম্প্রীতির ওপর প্রভাব ফেলেছে। রায়নারের মুখপাত্র বলেন, “প্রাপ্তবয়স্করা এখন দিনে গড়ে চার ঘণ্টা অনলাইনে কাটান, যা মানুষের মিথস্ক্রিয়ার ধরন বদলেছে।”