সশরীর ক্লাস শুরু

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি শুরু হয়। দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। এ মাসের মধ্যে প্রায় সব কটি বিশ্ববিদ্যালয়ও খুলে দেওয়া হবে।

এর বাইরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সারা দেশে ২ হাজার ২৬০টি কলেজে শিক্ষার্থী আছেন ২৯ লাখ ৭৫ হাজারের কিছু বেশি। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ঢাকার সাতটি কলেজে শিক্ষার্থী দুই লাখের বেশি।

অধিকাংশ কলেজেই স্নাতক থেকে স্নাতকোত্তর স্তরের পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিকও পড়ানো হয়। সরকারি সিদ্ধান্তে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্নাতক থেকে স্নাতকোত্তর স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীর ক্লাস এখনো আটকে আছে। তবে শিক্ষকদের কলেজে যেতে হচ্ছে। কারণ, উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাসের পাশাপাশি স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষা চলছে। এ ছাড়া বাড়িতে থেকেও অনলাইনে ক্লাস নিতে হয়। এখন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের শিক্ষার্থীরা চান, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাঁদের ক্লাসও সশরীর শুরু হোক।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বড় কলেজগুলোর একটি রংপুরে অবস্থিত কারমাইকেল কলেজ। এ কলেজে মোট শিক্ষার্থী প্রায় ২০ হাজার। কলেজটির অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সশরীর ক্লাস হচ্ছে। এখন স্নাতক-স্নাতকোত্তরের সশরীর ক্লাস শুরুর জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, স্নাতক থেকে স্নাতকোত্তর স্তরের শিক্ষার্থীদের তালিকা তাঁরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন। তবে নিবন্ধন বা টিকার বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে হালনাগাদ কোনো তথ্য পাননি।