ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ৬দফা দাবি তুলে ধরেন এই শিক্ষার্থীরা ।রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড় প্রদক্ষিণ করে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলনের করে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা, দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ ; ঢাবির সিন্ডিকেট ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও ; অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন ; ঢাবির ভিসি, মানি না মানব না ; সেন্ট্রালের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উৎপত্তি হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে লাল কার্ড দেখিয়ে । আর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অলরেডি ৬ মাসে আমরা ৩ জন ভিসিকে দেখতে পেরেছি। অথচ এই সময় আমাদের দেখার কথা ছিল একাডেমিক মাইগ্রেশন, সেমিস্টার সিস্টেম ও স্কুলিং সিস্টেম। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সরকার যাকে খুশি, যখন খুশি চেঞ্জ করুক; আমাদের তা নিয়ে সেটা নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। আমাদের দ্বিধাদ্বন্দ্ব একটাই, সরকার আমাদের কোন অবস্থানকে বিবেচনা করে এই ভিসিকে চেঞ্জ করেছে? আমাদের ৫৪ হাজার শিক্ষার্থীর একাডেমিক মাইগ্রেশন চলমান, কিন্তু কোনো রোডম্যাপ নেই। আমাদের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
এসময় শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি যে বক্তব্য দিয়েছে , সে বক্তব্যকে এক্সপান্স করতে হবে। আগামী ২ কার্যদিবসের মধ্যে একাডেমিক মাইগ্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। ৫৪ হাজার শিক্ষার্থীর জীবন ঝুলে আছে। ২৪-২৫, ২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থীদের ফাইনাল পরীক্ষার ডেট আগামী ৪ কার্যদিবসের মধ্যে দিতে হবে। একই সাথে ফর্ম ফিলাপ আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
ঢাকার প্রাণকেন্দ্র এই ৭ টা ক্যাম্পাসের যেকোনো একটিতপ সুবিধাজনক স্থানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠা করতে হবে । ৭ ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা বারিধারা, গুলশান বা আগারগাঁও এ তাদের সমস্যা সমাধান করতে যাবে না বলেও উল্লেখ করেন এই শিক্ষার্থীরা।






