ভূত হয়ে আসছেন জয়া

মেয়েটি মারা গেছে ১৯৪৭ সালে। ঘটনাটি তখনই শেষ। এবার গল্পের শুরু ২০১৯ সালে। একটি শিশু বেড়াতে গেছে মামাবড়িতে। ছেলেটি প্রতিদিন অদ্ভুত অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে। সে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়। নানা কিছু নিয়ে তার যত কৌতূহল। ঘুরতে ঘুরতে সে এই বাড়িতে একটি ‘মেয়ে ভূত’ আবিষ্কার করে। সে ভূতকে দেখতে পায়। তাদের আলাপ হয়। এই ভূতের সঙ্গে শিশুটির বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সে এই ভূতের নাম দেয় ‘ভূত পরী’।

শিশুটির সামনে চলে আসে ৭২ বছর আগের ঘটনা। জানা যায়, মেয়েটির মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। তাকে হত্যা করা হয়। এরপর সে ভূত হয়ে গেছে। এবার নিজের হত্যাকারীকে শাস্তি দিতে চায় সে। এই শিশুর সাহায্যে সেই হত্যাকারীকে সামনে নিয়ে আসে। পরিচালক সৌকর্য ঘোষাল বললেন, ‘ভূতের সীমাবদ্ধতা আছে। সে কোনো কিছু ধরতে পারে না। তাই তার অন্যের সাহায্য প্রয়োজন। আবার মানুষের মতোই তার রাগ হয়, হিংসা হয়, অভিমান হয়।’

LEAVE A REPLY