নতুন ‘গতি তারকা’র অভিষেক তাহলে হচ্ছে না?

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের হাতে চালিত স্কোরবোর্ডে দুই দলেরই একাদশ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্কোরবোর্ডের সেই বাংলাদেশ একাদশ এমন—ইমরুল, লিটন, মমিনুল, মুশফিকুর, মাহমুদউল্লাহ, আরিফুল, মিরাজ, তাইজুল, নাজমুল, শফিউল ও মোস্তাফিজুর।

স্কোরবোর্ডে দেওয়া একাদশ নিয়েই যে বাংলাদেশ কাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেট টেস্ট খেলতে নামবে, সেটির কোনো নিশ্চয়তা নেই। এটি নমুনা একাদশ মাত্র। ইংল্যান্ড কিংবা অস্ট্রেলিয়া কখনো কখনো টেস্টের আগের দিনই একাদশ জানিয়ে দেয়। এমনকি ইদানীং ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও জানিয়ে দেন তাঁর দলের একাদশটা কী হবে। কিন্তু বাংলাদেশে এই সংস্কৃতি এখনো চালু হয়নি। প্রতিটি ম্যাচের আগেই একাদশ নিয়ে লুকোছাপা করেন টিম ম্যানেজমেন্ট। সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের একাদশ নিয়েও চলছে একই লুকোছাপা। তবুও নানা সূত্র, অধিনায়কের কথা কিংবা কন্ডিশন দেখে একটা ধারণা তো পাওয়াই যায়।

সিলেটের উইকেট কেমন হবে, গত কদিনে নানা কথাই শোনা গেছে। ইমরুল কায়েস বললেন, ব্যাটিং-সহায়ক উইকেট হতে পারে। কোচ স্টিভ রোডস বললেন, উইকেট ‘ট্রিকি’ হবে, সবার জন্যই হয়তো কিছু থাকবে। মেহেদী হাসান মিরাজ জানালেন, টার্ন থাকতে পারে। তাহলে দাঁড়াল কী? প্রথমবারের মতো সিলেটে টেস্ট হচ্ছে, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে যে কোনো ধারণা পাবেন, সে উপায়ও নেই। তবে যেহেতু দেশের মাঠে খেলা, বাংলাদেশের চাহিদা মেনেই উইকেট তৈরি করার কথা ভারতীয় কিউরেটর সঞ্জীব আগারওয়ালের।

২৮ অক্টোবর সিলেটে প্রথম অনুশীলনেও বাংলাদেশ দল দেখেছে, উইকেটে কিছুটা ঘাস আছে। সেই ঘাস এখন অনেকটাই উধাও। বাংলাদেশ কোচ অবশ্য শুরুতে চেয়েছিলেন একটা টেস্ট অন্তত ঘাসের উইকেট খেলতে। সিলেটে যে সেটি হচ্ছে না, নিশ্চিত। বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম টেস্টেই চায় জয় নিশ্চিত করতে। আর জয়ই যদি হয় শেষ কথা, তাহলে বলাই যায় বাংলাদেশ পুরোনো পথেই হাঁটছে। টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্য তো আকার-ইঙ্গিতে বোঝালেন, এ টেস্ট পাঁচ দিনে গড়ায় কি না সন্দেহ! তার মানে ঘূর্ণি উইকেটেই জিম্বাবুয়েকে চ্যালেঞ্জ জানাবে মাহমুদউল্লাহর দল।

LEAVE A REPLY