পূবালী ও যমুনা ব্যাংকের ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত পূবালী ও যমুনা ব্যাংকের ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এরমধ্যে পূবালী ব্যাংকের ৫০০ কোটি এবং যমুনা ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার বিএসইসির কমিশন সভায় বন্ড দুটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসির পরিচালক ও মুখপত্র আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বন্ড দুটির অনুমোদন দেশের ব্যাংক খাতের মূলধন ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ও উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীদের নিকট বন্ড বিক্রি করা হবে। প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ৫ লাখ টাকা। মূলত ব্যাংক দুটি ব্যাসেল-৩ এর আওতায় টায়ার-২ মূলধন যোগান দিতেই বন্ড ইস্যু করছে। দুটি ব্যাংকের বন্ড বিকল্প ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) তালিকাভুক্ত হবে।

কমিশনের তথ্যানুযায়ী, বন্ড দুটির বৈশিষ্ট একই ধরনের। বৈশষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে দুটি বন্ডই অসুরক্ষিত, রূপান্তর অযোগ্য, পূর্ণাঙ্গ ফেরতযোগ্য, ভাসমান সুদহারসম্পন্ন সাবঅর্ডিনেট। বন্ড দুটির সুদহার হবে প্রতিক সূচক হার (রেফারেন্স রেট) + ৩% মার্জিন।দুটি বন্ডেরই ট্রাস্টি হিসাবে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স। পূবালী ব্যাংকের বন্ডের অ্যারেঞ্জার হিসেবে রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। অপরদিকে যমুনা ব্যাংকের অ্যারেঞ্জার হিসাবে রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশের বন্ড মার্কেট এখনও নাজুক অবস্থায় রয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও এগুলোর লেনদেন হয় না বললেই চলে। তালিকাভুক্ত বন্ডের মধ্যে সরকারি বন্ডের সংখ্যাই বেশি। অল্প কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানির বন্ড রয়েছে।