দুই সন্তানকে নিয়ে খেলার মাঠে পৌঁছান অভিনয়শিল্পী ও পরিচালক মীর সাব্বির। ‘এত মানুষ জীবনে কোনো দিন সামানসামনি দেখিনি। ৮০ হাজারের বেশি দর্শক খেলা দেখছেন। একসঙ্গে আনন্দ নিয়ে খেলা দেখছেন। গ্যালারিতে দেখলাম, প্রচুর বাংলাদেশিরাও আসছেন। অনেকের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। তাঁরাও দারুণ মজা করছেন। খেলার মাঠে আমার ছেলেরা বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছে কোপা আমেরিকার এই ম্যাচে চিলিকে ১ গোলে হারিয়েছে মেসির দল। সাব্বির বললেন, ‘আন্তর্জাতিক কোনো ফুটবল খেলা আমি প্রথমবার মাঠে বসে দেখলাম। বাংলাদেশে আমি আবাহনীর সমর্থক। আর এমনিতে দল হিসেবে ব্রাজিলের সমর্থক। কিন্তু আমার দুই ছেলে আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। আসলে ওদের জন্যই এখানে খেলা দেখতে আসা আর্জেন্টিনা ও চিলির খেলা মাঠে বসে দেখার মধ্য দিয়ে প্রথমবার মেসিকে সামানসামনি দেখলেন মীর সাব্বির। তিনি বললেন, ‘মেসিকে এই প্রথম সামনাসামনি খেলতে দেখলাম। দারুণ, এক কথায় অসাধারণ অভিজ্ঞতা। একজন ম্যাজিশিয়ানকে দেখলাম। আমি ব্রাজিলের সাপোর্টার হলেও কিন্তু মেসির ভক্ত। কারণ, মেসির খেলা মানে হচ্ছে আমার কাছে একটা শৈল্পিক ব্যাপার। ফুটবলের তিনি শিল্পী, মহানায়ক। দুই ছেলে অন্ধভাবে আর্জেন্টিনার সমর্থক।মেসির ভক্ত হলেও মাঠে বসে মেসির খেলার দেখার সুযোগ আসবে, তা ভাবেননি মীর সাব্বির। কথাপ্রসঙ্গে যেন তাই বললেন তিনি। বললেন, ‘মেসির খেলা সামনাসামনি দেখার সুযোগটা আমার বড় ছেলে ফারশাদের কারণে সম্ভব হয়েছে। তার ও–লেভেল পরীক্ষা শেষ করার পর আমার কাছে একটা গিফট চেয়েছিল, তা হচ্ছে মাঠে বসে মেসির খেলা দেখা। তখন সে নিজেই খুঁজে বের করেছে খেলার শিডিউল। বলে, বাবা আমাকে মেসির খেলা দেখার সুযোগ করে দিয়ো। এই খেলার টিকিট তো অনেক এক্সপেনসিভও। বাংলাদেশ থেকে দু–তিন মাস আগে আমরা এই টিকিট কিনেছি, যাতে মিস না হয়। শুনছি, পরের বিশ্বকাপে মেসিকে নাও পেতে পারি, তাই ভাবছি যে ছেলেদের সঙ্গে আমিও খেলাটা দেখতে যাই। আমার স্ত্রী চুমকী যায়নি। বাংলাাদেশে থাকার সময় সে বলছিল, তোমরা যাও। সমস্যা নেই। এখানে আসার পর সে বলছে, মিস করলাম। আফসোস করছে।’






