হাওরের ৪৪ শতাংশ ধান ইতিমধ্যে কাটা হয়ে গেছে।পরিবহন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ধান কাটার জন্য ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিকেরা এসেছেন। শ্রমিকের পাশাপাশি হাওর এলাকায় ধান কাটার জন্য কম্বাইন্ড হারভেস্টার ও রিপার ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব যন্ত্রপাতি দিয়ে পুরোদমে ধান কাটা চলছে। ব্রি ২৮ জাতের ধান আগে পাকে, এটি কাটা প্রায় শেষ হয়েছে। ব্রি-২৯ জাতের ধান এখনো পাকেনি, আরও সাত-আট দিন সময় লাগবে। অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত বা আগাম বন্যা না হলে যে গতিতে ধান কাটা চলছে, আমরা আশাবাদী যে হাওরের কৃষকেরা আগামী ১০ দিনের মধ্যে সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পারবেন।’
স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও কৃষি বিভাগকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি সামাজিক সচেতনতার ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন, ছাত্র-শিক্ষকসহ নানা পেশার মানুষ যাঁরা ধান কাটায় এগিয়ে এসেছেন, কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে হাওরাঞ্চলের কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া—এই সাতটি জেলায় এ বছর শুধু হাওরে ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৯ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৯৮ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে, যা হাওরের মোট ধানের শতকরা ৪৪ ভাগ। এর মধ্যে সিলেটে ৫৩ শতাংশ, মৌলভীবাজারে ৫৪ শতাংশ, হবিগঞ্জে ৩৭ শতাংশ, সুনামগঞ্জে ৪৮ শতাংশ, নেত্রকোনায় ৫৬ শতাংশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৬ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।
করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত ও সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়ার বিষয়ে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ইতিমধ্যেই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে। করোনার কারণে খাদ্যসংকটে পড়তে পারে পুরো বিশ্ব। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে।






