শাওমির গাড়ি তৈরির উদ্যোগ প্রথম সামনে আসে গত মার্চে। এই খাতে আগামী ১০ বছরে এক হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের কথা জানায়। লেই জুন সে সময় গাড়ি তৈরির ব্যবসাকে ‘উদ্যোক্তা হিসেবে জীবনের শেষ প্রকল্প’ বলেছিলেন।
সেই থেকে দুই হাজারের বেশি জরিপ চালিয়েছে, একই খাতের ১০টির বেশি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছে বলে জানিয়েছে শাওমি। তবে ঠিক কী ধরনের গাড়ি তৈরি করবে, তা বিস্তারিত বলেনি।
গত সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গবেষণা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বেশি ব্যয়ে স্বয়ংক্রিয় গাড়িচালনা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা স্টার্টআপ ‘ডিপমোশন’ কিনে নিয়েছে তারা।
এদিকে আগস্টের প্রথমার্ধে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিয়েল এস্টেট জায়ান্ট এভারগ্রান্দে গ্রুপের গাড়ি তৈরির ব্যবসায়ের অংশবিশেষ কিনে নেওয়ার জন্য আলোচনা চালাচ্ছে শাওমি। সে খবরের পর শাওমির এক মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, একাধিক গাড়ি তৈরির প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে শাওমি, তবে কোনো চুক্তিই চূড়ান্ত হয়নি এখনো।
শাওমি চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণী পেশ করে গত সপ্তাহে। এপ্রিল থেকে জুন মেয়াদে বাজার বিশ্লেষকদের অনুমানের চেয়ে বেশি আয় করেছে প্রতিষ্ঠানটি। মোট আয় ও নিট লাভ বেড়েছে যথাক্রমে ৬৪ ও ৮৭ দশমিক ৪ শতাংশ। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে হুয়াওয়ের স্মার্টফোন তৈরির ব্যবসায়ে ধস নামলে এগিয়ে যায় শাওমি। স্মার্টফোন বিক্রিতে গত প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপী দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল প্রতিষ্ঠানটি।






