লামিনে উচ্ছ্বাসের মধ্যে আছে

পৃথিবীতে এখন অন্যতম সুখী মানুষের নাম মৌনির নাসরাউয়ি।

ভদ্রলোককে অপরিচিত লাগতেই পারে। যদি বলা হয় তিনি লামিনে ইয়ামালের বাবা, তাহলে সম্ভবত সুখী থাকার কারণটা পরিষ্কার হয়ে যায়। ইউরোয় ইয়ামাল যা দেখাচ্ছেন, তাতে বাবা হিসেবে তাঁর বুকটা গর্বে ভরে যাওয়ার কথা। ইউরোয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে শুধু মাঠে নামার রেকর্ডই গড়েননি ইয়ামাল, সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ডও গড়েছেন চোখধাঁধানো এক গোলে। আর সেটাও সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে। এমন পারফরম্যান্সের পর ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারের কথাটাও নিশ্চয়ই শুনেছেন নাসরাউয়ি, ‘একজন মহাতারকার জন্ম হলো।’ তাহলে বলুন, নাসরাউয়ি কেন গর্ব বোধ করবেন না?

বাবা হিসেবে তিনি যে এখন ভীষণ গর্বিত, সেটা বোঝা যায় স্পেনের সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর সঙ্গে নাসরাউয়ির আলাপচারিতায়ও। এবারের ইউরোয় ছেলের পারফরম্যান্স নিয়ে বলেছেন, ‘আর সবার মতো আমিও আনন্দ নিয়ে উপভোগ করছি। আমরা ফাইনালে উঠেছি এবং স্পেনের সব খেলোয়াড়ের জন্য গর্ব লাগছে।’

কিন্তু ছেলের জন্য গর্বটা একটু বেশি লাগাই তো স্বাভাবিক? নাসরাউয়ি সরাসরি এর উত্তরে যাননি। এটুকু বলেছেন, ইয়ামালের জন্মের পরই বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর ছেলে একদিন বড় কিছুই হবে, ‘আমি জানতাম সে তারকা হয়ে উঠবে। বাবারা এমনই মনে করেন এবং যেকোনো বাবাই চান তাঁর সন্তান সেরা হয়ে উঠুক। আমি তার জীবনে সেরাটাই কামনা করি ও আশা করি যেন ইউরো জিততে পারে, তাতে আমরাও চ্যাম্পিয়ন হব।’