খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণের অর্থ কিন্তু এই নয় যে আপনাকে একেবারে সব ধরনের খাবারের পরিমাণই কমিয়ে দিতে হবে। আমিষজাতীয় খাবার কম খেলে অন্যান্য খাবার খেয়েও আপনি পুরোপুরি তৃপ্তি পাবেন না। খাওয়ার খানিক পরই ক্ষুধা পেয়ে যাবে। তাই ভাত, রুটি, আলু, বিস্কুট, নুডলস, পাস্তার মতো শর্করাজাতীয় খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। কমিয়ে ফেলুন খাবারের তেল-চর্বির পরিমাণ। কিন্তু আমিষ গ্রহণ করুন পর্যাপ্ত। সকালের নাশতায়ও রাখুন আমিষজাতীয় খাবার। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ছাড়াও উদ্ভিজ্জ আমিষ গ্রহণ করতে পারেন। রোজকার খাদ্যতালিকায় নানা রকম ডাল ও বীজ রাখতে পারেন।
পর্যাপ্ত আঁশসমৃদ্ধ খাবার না খাওয়া
আঁশসমৃদ্ধ খাবার পরিপাক হয় ধীরে ধীরে। এ ধরনের খাবার খেলে পেট ভরা থাকে লম্বা সময় পর্যন্ত। এগুলো কম পরিমাণে খেলেও আপনার চট করে ক্ষুধা পেয়ে যাবে। তাই বেশি পরিমাণে শাক গ্রহণ করুন। রাতে শাক খেলেও কিন্তু ক্ষতি নেই। পর্যাপ্ত আঁশ পাওয়ার জন্য কাঠবাদাম, পেস্তাবাদাম, চিয়া বীজ এবং আঁশসমৃদ্ধ সবজি, যেমন ফুলকপি, গাজর, ব্রকলিও খাবেন। খেতে পারেন গোটা শস্যের তৈরি খাবারও, যেমন লাল চালের ভাত বা লাল আটার রুটি। ওটমিলও খেতে পারেন।
খাবারে মনোযোগ না দেওয়া, দ্রুত খাওয়া
কোনোমতে নাকেমুখে দুটো গুঁজে নিয়েই ভাবছেন আপনার খাওয়া হয়ে গেল? এমনটা করলে আক্ষরিক অর্থে আপনার খাওয়া হলো ঠিকই, কিন্তু আপনার মস্তিষ্ক কিন্তু তৃপ্তির সংকেত দিতে পারবে না। তাই মনোযোগ দিয়ে খাবেন। ধীরেসুস্থে খাবেন।
যথাসময়ে পানি না খাওয়া
খাওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিলে আপনার পেট ভরা ভরা অনুভব করবেন। খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে তাই এ অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। একটু ক্ষুধার্ত অনুভব করলেও খানিকটা পানি খেয়ে নিতে পারেন। ক্ষুধা জোরালো হওয়ার সুযোগ পাবে না।






