যুক্তরাজ্যে বেতন বৃদ্ধির হার পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, যেখানে নিয়োগে ধীরগতির কারণে তরুণ কর্মীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক শ্রমবাজারের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে গড় আয় বৃদ্ধির হার ৪.২% থেকে কমে ৩.৮%-এ নেমে এসেছে, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ধীর। বেকারত্বের হার ৫.২%-এ অপরিবর্তিত রয়েছে। চাকরির শূন্যপদের হার স্থিতিশীল থাকলেও শ্রমবাজারে নতুন প্রবেশকারীর সংখ্যা সামান্য বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ কর্মীরা অন্যদের তুলনায় বেশি চাপে রয়েছে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি থেকে ৩৪ বছর বা তার কম বয়সীদের চাকরির সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার কমেছে, যেখানে ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের কর্মসংস্থান বেড়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে নিয়োগদাতারা মূলত নতুন বা এন্ট্রি-লেভেলের নিয়োগ কমিয়ে দিচ্ছে।
গড় বেতন বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার পেছনে সরকারি খাতের বেতন বৃদ্ধির ধীরগতিও বড় ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে সরকারি খাতে গড় বেতন বৃদ্ধি ৫.৯% এবং বেসরকারি খাতে ৩.৩%।
এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদের হার কমাবে এমন সম্ভাবনা কম। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও তেলের দামের বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে, যার কারণে সুদের হার ৩.৭৫%-এ অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বেতন বৃদ্ধির ধীরগতি একদিকে মূল্যস্ফীতি কমাতে সাহায্য করছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে দাম বাড়ছে যা নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।






