বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ ৬৮ হাজার ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ১ কোটি ১১ লাখ মানুষের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন ১৪৬ জনসহ দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার মানুষ।
করোনার অতি সংক্রামক ধরন অমিক্রন শনাক্তের পর তা যুক্তরাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১০ হাজারের বেশি মানুষের শরীরে ধরনটির উপস্থিতি মিলেছে। অমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে কমপক্ষে ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মারা গেছেন ১ জন।
প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এর মধ্যেই দেশটিতে করোনার নতুন ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে সংক্রমণ মোকাবিলায় নতুন করে বিধিনিষেধ জারির পক্ষে নন যুক্তরাজ্যের ১০০ জনের বেশি আইনপ্রণেতা। গত মঙ্গলবার এক ভোটাভুটিতে তাঁরা বিধিনিষেধের বিপক্ষে অবস্থান নেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ক্রিস হোয়াইটি এমপিদের উদ্দেশে বলেন, অমিক্রন অতিমাত্রায় সংক্রমক। খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সামনেই বড়দিনের উৎসব। মানুষজনকে নিজেদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এখন অমিক্রনে আক্রান্তদের সংখ্যা কিছুটা কম হলেও খুব শিগগির এ সংখ্যা বাড়বে। হাসপাতালগুলো এখনই রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।
মহামারি শুরুর পর থেকে অমিক্রন যুক্তরাজ্যের জন্য ‘সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হুমকি’ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধান নির্বাহী জেনি হ্যারিস। তিনি বলেন, করোনার আগের ধরনগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে আগামী কয়েক দিনে সংক্রমণের হার হতবাক করে দেওয়ার মতো হতে পারে বলে প্রাপ্ত হিসাব–নিকাশগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে।






