ক্রেতা নেই, হাট থেকে ফেরত গেল বেশির ভাগ পেঁয়াজ

শুধু কৃষকেরাই নন, অনেক ব্যবসায়ী ও মজুতদারও পেঁয়াজ নিয়ে এসেছিলেন হাটে। এসব পেঁয়াজের বেশির ভাগই গত মার্চ-এপ্রিলে উৎপাদিত স্থানীয় দেশি পেঁয়াজ। বেশি লাভের আশায় মজুত করে রাখা হয়েছিল। এরই মধ্যে নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় ও বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবরে কৃষক ও মজুতদারেরা আজ মঙ্গলবার ঘরে রাখা প্রায় সব পেঁয়াজ হাটে এনেছিলেন। কিন্তু হাটে ক্রেতা তেমন ছিল না বললেই চলে। যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা তেমন একটা কেনেননি। সকালের দিকে বিক্রেতারা যেখানে প্রতি কেজি পুরোনো পেঁয়াজের দাম হেঁকেছিলেন ১৫০ থেকে ১৭৫ টাকা, সেখানে দুপুর ১২টার দিকে দাম নেমে আসে ১০০ থেকে ১৩০ টাকায়। আর আগাম জাতের নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। কিন্তু এই দামেও হাটে পেঁয়াজ নিয়ে আসা বেশির ভাগ কৃষক ও ব্যবসায়ী বিক্রি করতে পারেননি। তাই হাটে ওঠা বেশির ভাগ পেঁয়াজ ফেরত গেছে।

পেঁয়াজের ভান্ডার বলে খ্যাত পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা হাটে আজ মঙ্গলবার এ দৃশ্য দেখা গেল। মাত্র তিন দিন আগে গত শনিবার এই হাটে পুরোনো দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৭৫ থেকে ২২৫ টাকায় আর আগাম জাতের নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজের ভান্ডার বলে পরিচিত সাঁথিয়া উপজেলার করমজা হাটটি। শুধু সাঁথিয়াই নয়, সুজানগর ও বেড়া উপজেলায় উৎপাদিত পেঁয়াজও এই হাটে বিক্রি হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পেঁয়াজের ব্যাপারীরা এই হাটে পেঁয়াজ কিনতে আসেন।

LEAVE A REPLY