কেবাতুকে খুঁজে বের করতে ও গ্রেপ্তার করতে লন্ডন পুলিশের অনুসন্ধান দ্রুত গতিতে চলছে

ভুলবশত জেল থেকে মুক্তি পাওয়া এক যৌ*ন অপরাধীকে শেষবার লন্ডনে দেখা গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। হাদুশ কেবাতু নামে ওই ব্যক্তি এসেক্সে এক কিশোরী ও এক নারীকে যৌ*ন হয়রানির দায়ে সাজা খাটছিলেন। শুক্রবার তাকে নির্বাসনের জন্য নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ভুল করে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ এখন তাকে ধরতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে।

এসেক্স পুলিশ জানিয়েছে, কেবাতুকে খুঁজে বের করতে ও গ্রেপ্তার করতে তাদের অনুসন্ধান দ্রুত গতিতে চলছে। এটি একটি “দ্রুত চলমান ও জটিল” তদন্ত এবং কর্মকর্তারা রাতভর ফুটেজ পর্যালোচনা করছেন বলে জানানো হয়। পুলিশ নিশ্চিত করেছে, কেবাতু শুক্রবার ১২:৪১ মিনিটে চেলমসফোর্ড স্টেশন থেকে লন্ডনগামী একটি ট্রেনে উঠেছিলেন।

এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্যার কিয়ার স্টারমার এই মুক্তিকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে অভিহিত করেছেন এবং কেবাতুকে ধরে তার অপরাধের জন্য নির্বাসিত করার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, এই ঘটনার তদন্ত চলাকালীন কারাগার কর্তৃপক্ষ একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দিয়েছে।

কেবাতু ইথিওপিয়ার নাগরিক এবং ছোট নৌকায় করে যুক্তরাজ্যে এসেছিলেন। গত সেপ্টেম্বরে, চেলমসফোর্ড ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী এবং এক নারীকে যৌন হয়রানির দায়ে ১২ মাসের কারাদণ্ড দেয়। তাকে ১০ বছরের জন্য যৌন অপরাধী রেজিস্টারে সই করার এবং পাঁচ বছরের জন্য কোনও নারীর কাছে না যাওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

ব্রিক্সটন জেলের প্রাক্তন গভর্নর জন পডমোর বলেছেন, বন্দি স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটি “বেশ জটিল”। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এই ঘটনায় হয়তো “নিম্ন পদের কোনও কর্মকর্তাকে বলির পাঁঠা” বানানো হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “এটি একটি ভেঙে পড়া সিস্টেমের লক্ষণ এবং কারাগার ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।”