বিশ্বকাপের চেয়েও অ্যাশেজ বেশি গুরুত্ব পায় ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার কাছে। না, অ্যাশেজ নিয়ে দুই দলের সমর্থকদের আগ্রহ দেখে এমনটা বলা হচ্ছে না। বেশ কয়েক বছর আগেই রীতিমতো জরিপ করে এটা জানানো হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সে সত্যটা বদলায়নি। এ কারণেই এবারের অ্যাশেজের প্রথম দুই টেস্টে ইংল্যান্ডের বাজে পারফরম্যান্সের পর ইংলিশ সমর্থকদের হাপিত্যেশ দেখে মনে হচ্ছে, একদম তলানিতে ঠেকেছে দেশটির ক্রিকেট। অথচ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফিটাই এখন ইংল্যান্ডের ঘরে।
কিন্তু সে সাফল্যও অ্যাশেজের হতাশা ঢাকতে পারছে না। প্রথমে টেস্টের পর দ্বিতীয় টেস্টেও ইংলিশ ক্রিকেটাররা হতাশামাখা পারফরম্যান্স উপহার দিচ্ছেন। এর পেছনে অনেক কারণ থাকলেও জো রুটের ব্যাটিং এই তালিকায় নেই। তবে জো রুট একেবারেই মাফ পাচ্ছেন না। অধিনায়ক রুটকে নিয়ে অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তবে ইয়ান চ্যাপেলের মতো খড়্গহস্ত সম্ভবত কেউ হননি। জো রুটের অধিনায়কত্বকে অসাধারণ অধিনায়কত্বের একদম উল্টো বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক।






