সমুদ্র ও স্থলবন্দরে আমদানি হওয়া নিত্যপণ্যের চালান আটকে আছে

তিন দিনের কারফিউতে ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী সিংহভাগ কারখানা বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ায় সমুদ্র ও স্থলবন্দরে আমদানি হওয়া নিত্যপণ্যের চালান আটকে আছে। অন্যদিকে হামলার আশঙ্কায় পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে সড়কে নামছেন না বেশির ভাগ চালক। সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা বড় সংকটে পড়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কারফিউর কারণে চাহিদা তুলনামূলক কমে গেছে। কিন্তু এই কম চাহিদা অনুযায়ীও নিত্যপণ্য সরবরাহ করা যাচ্ছে না। মূলত আগে মজুত করা পণ্য দিয়েই চলতি চাহিদা মেটানো হচ্ছে। সরবরাহব্যবস্থার দ্রুত উন্নতি না হলে নিত্যপণ্য জোগান দেওয়া সম্ভব হবে না। সে ক্ষেত্রে বাড়তে পারে কিছু পণ্যের দাম।বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে আমদানি ও রপ্তানিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। কারণ, বন্দরে পণ্যের শুল্কায়ন করা যাচ্ছে না। আর কারফিউ জারির পর অধিকাংশ শিল্পকারখানা বন্ধ রয়েছে। অল্প কিছু কারখানা সীমিত আকারে খাদ্যপণ্য উৎপাদন করলেও তা সরবরাহ করতে পারছে না।