ডেমোক্রেটিক পার্টির নতুন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দিচ্ছেন দলের নেতাদের অনেকেই। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর গুলি চালানোর ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ পেরিয়েছে। গত কয়েক দিনেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অনেকটাই মোড় ঘুরে গেছে। এর মধ্যে ট্রাম্পকে রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় সম্মেলনে যেন উদ্ধারকর্তার মতো বরণ করে নেওয়া হলো এবং তাঁর মাথায় দলীয় মনোনয়নের মুকুট পরিয়ে দেওয়া হলো। অন্যদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দলীয় চাপে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে যেতে বাধ্য হলেন।
বাইডেনের এই দুর্দশার কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে গত মাসে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর টেলিভিশন বিতর্কে ভালো করতে না পারার বিষয়টিকে। এতে ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যে দ্রুত ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। বাইডেনের বয়স নিয়ে আগে থেকেই রিপাবলিকান পার্টি থেকে খোঁচা দেওয়া হচ্ছিল। তিনি আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। এর মধ্যে বিতর্কে ভালো করতে না পারায় ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যেই সংশয় আরও গভীরে রূপ নেয়।
ট্রাম্পকে সরাসরি বিতর্কে আহ্বান জানানোর আগে থেকেই নানা জরিপে তাঁর চেয়ে পিছিয়ে ছিলেন বাইডেন। নির্বাচনী প্রচার আরও বাড়াতে এবং ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হিসেবে টেলিভিশন বিতর্ককে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন তিনি। কারণ, এটা তাঁর জন্য জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।






