বেঁধে (আলটিমেটাম) দেওয়া সময়ের মধ্যে সরকার দাবি পূরণের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেয়, তা পর্যবেক্ষণ করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা। তাঁরা চার দফা দাবিতে গত রোববার রাত ১০টায় সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন, যা আজ মঙ্গলবার রাত ১০টায় শেষ হচ্ছে।
চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ সচল করা, শিক্ষার্থীদের আসার ব্যবস্থা করে দিয়ে হল খুলে দেওয়া, আন্দোলনের সমন্বয়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কারফিউ তুলে দেওয়া। কোটা সংস্কার দাবির আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চারজন সমন্বয়ক রোববার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে নতুন কর্মসূচি দেওয়া হবে। সেদিন রাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে দেখতে যান সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ ও মাহিন সরকার। তাঁরাও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক।
সমন্বয়ক সারজিস আলম গতকাল সোমবার বিকেলে বলেন, ‘আমরা আমাদের জায়গা থেকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে চারটি দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। এটি এখনো বহাল আছে। সরকারি কর্মকর্তাদের কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা বলছি, আলটিমেটাম মাথায় রেখে আমাদের দাবিগুলো যেন দ্রুত মেনে নেওয়া হয়। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি যে সরকার আমাদের দাবিগুলো কতটুকু গুরুত্ব ও দ্রুততার সঙ্গে পূরণ করে। সে অনুযায়ী আগামীকাল (মঙ্গলবার) রাতে আমরা সবাই বসে সমন্বিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেব।’
সারজিসসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুজন সমন্বয়ক ও একজন সহসমন্বয়ক গত শুক্রবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সরকারের দুজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা হলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তাঁদের কাছে লিখিতভাবে আট দফা দাবি তুলে ধরেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।






