নির্মাণশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা চেয়ারম্যান শাহ আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ

ফরিদপুরের মধুখালীর ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লির একটি মন্দিরের প্রতিমায় আগুন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই নির্মাণশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার দুই মাস পর অভিযুক্ত ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ আসাদুজ্জামান ও সদস্য অজিত বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এই ঘটনার পর পঞ্চপল্লির জনজীবন স্বাভাবিক হয়নি, কাটেনি আতঙ্ক।

গতকাল মঙ্গলবার মধুখালীর ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লি এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ও নিহত দুই নির্মাণশ্রমিকের বাড়ি নওপাড়া ইউনিয়নের চোপেরঘাট গ্রামে গিয়ে তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চপল্লি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পঞ্চপল্লি সর্বজনীন কালীমন্দির । গত ১৮ এপ্রিল এ মন্দিরের প্রতিমার শাড়িতে আগুন লাগে। প্রতিমার শাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ তুলে পাশের বিদ্যালয়ে একটি ওয়াশ ব্লক নির্মাণকাজে নিয়োজিত নির্মাণশ্রমিকদের দড়ি দিয়ে বেঁধে বিদ্যালয়ের ঘরের একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে এই ঘটনার ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান এ মারধরে অংশ নিয়েছেন। এ ঘটনায় চারজন নির্মাণশ্রমিক আহত হন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই সহোদর আশরাফুল খান (২০) ও আসাদুল খান (১৭) মারা যান।  হত্যার ঘটনার তিনটি  ভিডিও ক্লিপ গত ২৩ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে চলে যান।