শনিবার সকালে লন্ডনের ভিক্টোরিয়া স্টেশনের দৃশ্য এটি। ক্রিসমাসের আগে এই স্টেশন থেকে যারা বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছাতে চেষ্টা করছিলেন, হাতে সময় রেখে আগেভাগেই তাঁরা এখানে পৌঁছে যান। রেইল কর্মীদের ধর্মঘটের কারণে ক্রিসমাসের আগেই দিনেও দেখা যায়, ট্রেনের বগি খালি। কারণ, সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে অনেকেই আরও আগে লন্ডন ছেড়েছেন।
ভিক্টোরিয়া স্টেশনের কাছেই ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট ‘কাহানী’। ভিক্টোরিয়া স্টেশনে ব্যস্ততা কম থাকলে স্বাভাবিকভাবেই কাহানী রেস্টুরেন্টেরও কাহিনী বদলে যায়। কাস্তমারের অভাবে খা খা করছে এই রেস্টুরেন্ট।
কাহানীর ম্যানেজার শোয়েব ভেবেছিলেন, এবারের ক্রিসমাসের সময়টা ব্যবসার জন্য অন্য রকম হবে। অন্য রকম হয়েছে ঠিকই, কিন্তু খারাপ হয়েছে।
রেইল ধর্মঘটের কারণে ব্যবসা খারাপ হয়েছে হসপিটালিটি সহ ক্রিসমাস শপিঙের বাজারে। ব্যবসায়ীদের এই অভিযোগের জবাবে সরকার বলছে, সরকারের তরফে ধর্মঘটী কর্মীদের জন্য ন্যায্য মজুরি এবং চাকুরীর শর্ত প্রস্তাব করা হয়েছে, যা রেল কর্মীদের ইউনিয়নের পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের এই জবাবে রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে এবং বার মালিকদের সান্ত্বনা পাওয়ার কিছু নেই। জানুয়ারি মাসে আরও রেল ধর্মঘটের হুমকি দিয়ে রেখেছে রেইল কর্মীরা।
এদিকে ক্রিসমাস উদযাপন শুরু হয়ে গেছে লন্ডনে। সকল কমিউনিটির মানুষ ক্রিস্তিয়ান সম্প্রদায়ের এই উৎসবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে একাত্মতা প্রকাশ করছে। ওয়েস্ট লন্ডনের টুইকেনহ্যাম এলাকায় অবস্থিত একটি নিউজ এজেন্ট শপ এই ক্রিসমাসে তাদের কাস্টমারদের নিজেদের মতো করে আনন্দ দেয়ার চেষ্টা করছে।






