মুঠোফোন থেকে গোপনে তথ্য চুরি করা ম্যালওয়্যারটির নাম ‘ব্রাতা’। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা মুঠোফোনে প্রবেশ করেই যন্ত্রে থাকা সব তথ্য সংগ্রহ করে ম্যালওয়্যারটি। এরপর তথ্যগুলো পাঠিয়ে দেয় নির্দিষ্ট সাইবার অপরাধীর কাছে। তথ্য চুরির পাশাপাশি অনেক সময় পুরো মুঠোফোনের তথ্যও মুছে ফেলে ব্যবহারকারীদের বিপদে ফেলে ম্যালওয়্যারটি।
২০১৯ সালে প্রথম ম্যালওয়্যারটি শনাক্ত করে অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা ক্যাসপারেস্কি। প্রতিষ্ঠানটি তখন জানিয়েছিল, অ্যান্ড্রয়েড রিমোট এক্সেস টুলের নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীদের মুঠোফোনে প্রবেশ করতে পারে ম্যালওয়্যারটি। এবার ম্যালওয়্যারটি শনাক্ত করেছে ‘ক্লেফি’। সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছ, রূপ বদলে ফেলে নতুন করে আবার ব্যবহারকারীদের মুঠোফোন প্রবেশ করছে ম্যালওয়্যারটি। এবার তাদের মাধ্যম হচ্ছে বিভিন্ন অ্যাপ। তৃতীয় পক্ষের তৈরি অ্যাপগুলো নামানোর সময় ম্যালওয়্যারটি গোপনে ব্যবহারকারীদের মুঠোফোনে প্রবেশ করে। এমনকি অ্যাপ হালনাগাদের সময়ও ব্যবহারকারীদের অজান্তেই মুঠোফোনে ঢুকতে পারে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ম্যালওয়্যারটি থেকে রক্ষা পেতে অ্যাপ নামানোর আগে নির্মাতাদের বিষয়ে অনলাইনে খোঁজখবর নিতে হবে। সমস্যা সমাধানে অপরিচিত প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ব্যবহার না করে গুগল প্লে স্টোরে থাকা অ্যাপ ব্যবহার করা উচিত। পাশাপাশি অনলাইনে পাওয়া অপরিচিত লিংকে ক্লিক করে অ্যাপ নামানো থেকেও বিরত থাকতে হবে।






