বারার লাইব্রেরী এবং আইডিয়া স্টোর খোলা রাখাসহ সকল ফ্রন্ট লাইন সার্ভিস রক্ষায় অর্থ বরাদ্দ দিয়ে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল আগামী অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করেছে। গত ৪ মার্চ, বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালী এই বাজেট মিটিংটি অনুষ্ঠিত হয়।
করোনা মহামারী পরবর্তী এই বাজেটে বারার দরিদ্র বাসিন্দারা যাতে কম ক্ষতিগ্রস্ত হন এদিকে নজর রাখা হয়েছে। বাজেটে গুরুত্বপূর্ন সার্ভিসসমূহ অব্যাহত রাখার স্বার্থে এবং এডাব্ব সোশাল কেয়ারকে রক্ষার জন্য সামান্য কাউন্সিল ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। ব্যান্ড ডি সাইজের প্রপার্টির ক্ষেত্রে গড়ে কাউন্সিল ট্যাক্স বাড়বে সপ্তাহে মাত্র ১ পাউন্ড।
২০১০ সালে সরকারের ব্যয় সংকোচননীতি শুরুর পর কাউন্সল চিলন্ড্রেন, এডাব্ব এন্ড ফ্রন্ট লাইন সার্ভিস সমূহ রক্ষার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্চেছ। এই সময়ের মধ্যে কাউন্সিলকে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় করতে হয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে আরো ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারনে এসব সার্ভিসের চাহিদা আরো বেড়েছে।
বাজেটের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্চেছ- * প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্কুল মিলের জন্য ৩ মিলিয়ন পাউন্ড * অপরাধ দমনে অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার নিয়োগে বরাদ্দ * দরিদ্র বাসিন্দাদের সুরক্ষায় ট্যাকেলিং পোভার্টি ফান্ড * ৩ মিলিয়ন পাউন্ড কোভিড রিকোভারী ফান্ড * বারার ১২টি চিলন্ড্রেন সেন্টার রক্ষায় ফান্ড * ১০০% কাউন্সিল ট্যাক্স রিডাকশন স্কিম যা সারা দেশের মধ্যে অন্যতম সুবিধা হিসাবে আলোচিত * স্থানীয় ভলানন্টারী সংগঠনগুলোর জন্য ফান্ড * পার্ক, বায়ু দূষণ এবং ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি খাতে বরাদ্দ * পাবলিক হেলথে ৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড * এডাব্ব কেয়ার সার্ভিসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বরাদ্দ * নতুন স্কুল, ব্রিজ, কমিউনিটির বিভিন্ন ফ্যাসিলিটিসে খাতে ৩৯৫ মিলিয়ন পাউন্ডের অব্যাহত ক্যাপিটাল ফান্ডিং ইত্যাদি।
মেয়র জন বিগস বাজেট বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, করোনা ভাইরাস এবং সরকারের ব্যয় সংকোচনের বিপরীতে এটি আমার সবচাইতে কঠিন বাজেট। এর আগে আমাকে এতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়নি। তারপরও গুরুত্বপূর্ন ফ্রন্ট লাইন সার্ভিসসমুহকে রক্ষা করতে পেরে আমি গর্বিত। এছাড়া কভিড রিকোভারী ফান্ডে ৩ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ দিতে পেরে আনন্দিত। কেবিনেট মেয়র ফর রিসোর্সেস এন্ড ভলান্টিরী সেক্টর কাউন্সিলার ক্যান্ডিডা রোনাহ্ব বলেন, ভয়ংকর একটি অনিশিচত সময়ে এমন একটি বাজেট ঘোষণা করতে পেরে আমি গর্বিত। আমাদের ফ্রন্ট লাইন সার্ভিসকে রক্ষা এবং পুনরুদ্ধার কর্মসূচি নিতে পেরে আমি খুশি।






