‘এই জীবনে বিশ্বের অনেক দেশে গান শোনানোর সুযোগ হয়েছে। আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় যাওয়ার বা গান শোনানোর সুযোগ কখনোই হয়নি। একটা সুপ্ত ইচ্ছে ছিল, যদি কখনো ঘুরতে যেতে পারতাম। বাংলাদেশ সরকার এবার সেই সুযোগটি করে দিল। গান গাওয়া হবে, ঘোরাঘুরিও হবে। আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’
ইথিওপিয়া যাওয়ার পথে ব্যাংকক বিমানবন্দর থেকে প্রথম আলোকে বললেন জনপ্রিয় গায়িকা ফাহমিদা নবী।
২৩ নভেম্বর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার একটি মিলনায়তনে গান গাইবেন তপন চৌধুরী ও ফাহমিদা নবী। অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করবেন শায়লা আহমেদ।
তপন চৌধুরী বলেন, ‘ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে আমরা প্রায়ই অনুষ্ঠান করে থাকি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও প্রায় বাংলা গানের অনুষ্ঠান হয়। কিন্তু আফ্রিকার দেশগুলোতে সাধারণত সব সময় অনুষ্ঠান হয় না। যা–ও হয়, সেগুলো থাকে রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে। জীবনে এবারই প্রথম যাচ্ছি। শুনেছি অনেক বাঙালি আছেন। তাঁদের সম্মানে গাইতে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দেশটি ঘুরে দেখার ভীষণ আগ্রহ রয়েছে।’
ইথিওপিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার আগে সংগীতশিল্পী তপন চৌধুরী, ফাহমিদা নবী ও নৃত্যশিল্পী শায়লা আহমেদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক দল। ছবি: ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়াইথিওপিয়া দেখার শখ কেন? জানতে চাইলে ফাহমিদা নবী বলেন, ‘প্রাচীন আফ্রিকার এই দেশটি দুর্ভিক্ষ ও কষ্টপীড়িত একটি দেশ। এখনকার মানুষের জীবনযাপন, প্রকৃতি নিজ চোখের দেখার প্রবল আগ্রহ ছিল। সেই সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে।’
গান আর ঘোরাঘুরি শেষে আগামী সপ্তাহে পুরো ১৩ সদস্যের এই দলটি ঢাকায় ফিরবে।






