ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত খেলেছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যের মধ্যেও বারবার চলে এসেছে টেস্ট সিরিজে ব্যর্থতার প্রসঙ্গ। সাফল্যের আনন্দে ডুবে না থেকে ভবিষ্যতে টেস্টে কীভাবে ভালো করা যায়, আলোচনাটা ঘুরেফিরে আসছে। টেস্টে ভালো করতে হলে অবশ্যই উন্নত করতে হবে ঘরোয়া ক্রিকেট।
কিন্তু বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেট মানেই তো অভিযোগের পাহাড়। কাল এ প্রসঙ্গ উঠতেই থামিয়ে দিলেন তামিম ইকবাল। তাঁর চোখে কোনো সমস্যাই সমস্যা নয় যদি খেলোয়াড়দের মধ্যে ভালো খেলার স্পৃহা থাকে, ‘ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের কথা বলে। আপনি সব সুযোগ-সুবিধা দিতে পারেন, কিন্তু খেলোয়াড়দের মধ্যে যদি চ্যালেঞ্জটা না থাকে, তাহলে কোনো লাভ নেই। ভালো করার স্পৃহা থাকতে হবে। বোলিংয়ের কথা যদি বলি, বোলারদের লম্বা স্পেলে বোলিংয়ের চেষ্টা থাকতে হবে। এটা নিজের সঙ্গে নিজের চ্যালেঞ্জ, কী আমার পক্ষে আছে, আর কী নেই—এসব না ভেবে ভালো করার চেষ্টা করা উচিত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমাদের প্রথম টেস্টের কথাই ধরুন, আমরা তো সেখানে গিয়ে বলতে পারি না যে আমাদের ফ্ল্যাট উইকেট দেন। কন্ডিশন যেটা ছিল সেটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া উচিত ছিল, আমরা নিতে পারিনি। এমন অনেক টেস্ট সিরিজ আছে যেগুলো চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে ভালো করেছি। ঘরোয়া ক্রিকেটেও একই কথা, চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে।’
বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে যা আছে, সেটাকে যথেষ্ট মনে করছেন তামিম। বাংলাদেশ ওপেনার ক্ষুধার অভাব দেখেন খেলোয়াড়দের মধ্যেই, ‘দশজন গড়পড়তা চিন্তা করলে আপনাকে আলাদা চিন্তা করতে হবে। ভাবতে হবে, এ সংস্করণে এই উইকেটে কীভাবে ভালো করতে পারি। প্রত্যেকে যদি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়, তাহলে সহজ হয়ে যাবে। যা দেওয়ার দরকার বোর্ড দিচ্ছে। এর চেয়ে বেশি আর কী আশা করতে পারি? তারা তো আমাদের হাত ধরে খেলিয়ে দিতে পারবে না। আমাদের নিজেদের দায়িত্ব হলো এই অবস্থা থেকে আরও উন্নতি করা।’






