সুইডেনের স্টকহোমে একে একে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়, আর পর্দায় ভেসে ওঠে তাঁদের পোর্ট্রেট। কালো আউটলাইনে সোনালি রাংতা দিয়ে এই পোর্ট্রেটগুলো আঁকেন নিকলাস এলমেহেদ। সে কারণেই অক্টোবর মাসটা নিকলাসের জন্য আলাদা। পর্দার আড়ালে থাকলেও অত্যন্ত ব্যস্ততায় কাটে তাঁর সময়। এ বছর নোবেলের মৌসুম শেষ হলে ই-মেইল করেছিলাম নিকলাসের কাছে। খানিক বিরতিতে জবাব এল, ‘বলো, কী জানতে চাও?’ জানতে চাইলাম, যে নোবেলজয়ীদের নাম জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে বিশ্ব, নিকলাস কি তা আগেভাগেই জেনে যান?
সাক্ষাৎকার পর্বে যাচ্ছি। তবে তার আগে নিকলাস সম্পর্কে দুটো কথা জানিয়ে রাখি। সুইডেনে বাড়ি এই শিল্পীর। স্ত্রী-সন্তানসহ ওখানেই থাকেন। ২০১২ সালে শিল্পনির্দেশক হিসেবে নোবেল মিডিয়াতে যোগ দেন। সে সময় বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতে নোবেলজয়ীদের সবার ভালো ছবি পাওয়া যেত না। ঠিক হলো, ইন্টারনেট ঘেঁটে যাঁদের ছবি মিলবে না, নিকলাস আঁকবেন তাঁদের ছবি।
২০১৪ সালে নোবেল মিডিয়ার চাকরি ছেড়ে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করলেন। তবে নোবেলজয়ীদের ছবি আঁকার কাজটা তাঁরই থাকল। সেবার সব নোবেলজয়ীর বেলায় একই নিয়ম প্রযোজ্য হলো, সবার ছবি আঁকতে শুরু করেন নিকলাস। সে নিয়মই এখনো চলছে।






