করোনার কারণে কড়া বিধিনিষেধ। তাই জেলবন্দী কয়েদিরা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। মাসে দুই থেকে তিনবার ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন। এ ছাড়া ছেলের খাবার খরচের জন্য গৌরী খান চার হাজার পাঁচ শ রুপি পাঠিয়েছেন বলেও ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো প্রতিবেদন করেছে।





