মুন্সিগঞ্জে এবার মৌসুমের শুরু থেকে আলুর বাজার মোটামুটি ভালো ছিল। মাসখানেক ধরে আলুর দাম আরও বেড়েছে। তাই এখন হিমাগার থেকে আলু বের করে বিক্রির ধুম পড়েছে। এতে প্রায় ১০ বছর পর আলু চাষে লাভের মুখ দেখছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
মুন্সিগঞ্জ আলু চাষের জন্য বিখ্যাত। এখান থেকে ফরিদপুর, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ভোলা, বরিশাল, খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা খুচরা বাজারে বিক্রির জন্য আলু কিনে নিয়ে যান। এখানকার চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১০ বছর ধরে তাঁরা আলু চাষ করে লাভ করতে পারেননি। গত কয়েক বছর পুঁজিও ফেরত পাননি। তবে এবার আলু বিক্রি করে তাঁরা খুশি।
জেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুন্সিগঞ্জে ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, এস্টারিকসসহ ১০ জাতের আলুর চাষ হয়। ২০১৭ সালে এখানে ৩৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়। ২০১৮ সালে চাষ হয় ৩৮ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে। গত বছর ৩৮ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করেন চাষিরা। এ বছর চাষ হয়েছে ৩৭ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে, যা গত তিন বছরের তুলনায় কম। এ বছর জেলাটিতে আলু উৎপাদিত হয়েছে ১৩ লাখ ২ হাজার ২৭ মেট্রিক টন। তবে উৎপাদন কম হলেও এবার দাম ভালো পাচ্ছেন চাষিরা।






