বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের প্রথম অধিবেশন হলো চট্টগ্রামে

বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভ (বিআইসি) গত মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো বিএসআরএম ও এলিট পেইন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘চট্টগ্রাম ইনোভেশন ডায়ালগ ২০২০’-এর আয়োজন করেছে।

উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য, নীতিনির্ধারণ, শিক্ষাসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত তরুণদের মধ্যে উদ্ভাবনের আগ্রহ সঞ্চালিত করা; যাতে চট্টগ্রামের ভবিষ্যতের অর্থনীতি সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুনর্গঠিত হতে পারে এবং অধিবেশনের বিষয়বস্তু ছিল—‘চট্টগ্রামের প্রেক্ষাপটে উদ্ভাবনের গুরুত্ব, এখনো প্রযুক্তিগত কারণে যে সকল বাধা-বিপত্তি আছে, তা নিয়ে আলোকপাত ও অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য করণীয়, রূপান্তরকরণের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ এবং সবশেষে চট্টগ্রাম ইনোভেশন হাব উদ্বোধন।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ।

অনুষ্ঠানটি শুরু হয় বিআইসির প্রতিষ্ঠাতা শরিফুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্য এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলামের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে।

জাতীয় এবং স্থানীয় শিল্পনেতাদের অংশগ্রহণে অধিবেশনটি একটি কি–নোট এবং দুটি প্যানেল আলোচনা নিয়ে গঠিত হয়। কি–নোটটি পরিবেশন করেন রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ এবং প্যানেল আলোচনার সঞ্চালক ছিলেন আন্তর্জাতিক বিতরণ সংস্থা বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও এমডি আশরাফ বিন তাজ ও সিন্দাবাদ ডটকমের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জিশান কিংসুক হক।

বিআইসি এমন একটি উদ্যোগ, যা বাংলাদেশের উদ্ভাবনী বাস্তুসংস্থান গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে, ইনোভেশনকে জাতির মূল কেন্দ্ররূপে তৈরি করেছে এবং বাংলাদেশের জন্য একটি সর্বজনীন উদ্ভাবনী বাস্তুতন্ত্র তৈরি করেছে।

‘চট্টগ্রাম ইনোভেশন ডায়ালগ ২০২০’-এর আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম (বিবিএফ) এবং স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার এটুআই, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, চট্টগ্রাম মহিলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং মিডিয়া পার্টনার দৈনিক আজাদী।