গোলটা আসতেই যেন প্রাণ ফিরে পেল আর্জেন্টাইন গ্যালারি

পেনাল্টি মিসের পর লিওনেল মেসির অভিব্যক্তিই বলে দিচ্ছিল সব। চোয়াল নেমে গিয়েছিল, স্তব্ধ আর্জেন্টাইন গ্যালারিও। মহানায়ক কি এবার খলনায়ক হতে যাচ্ছেন তবে! ঘোষণা দিয়েই যে পেনাল্টি ঠেকালেন ভয়চেক সেজনি। সেই দুঃস্বপ্ন নিয়েই বিরতিতে যান মেসি। সেই বিরতিতেই হয়তো সতীর্থদের বিশেষ কোনো বার্তা দিয়েছিলেন মেসি।

কে জানে, হয়তো বলেছিলেন দিনটা আজ তাঁর জন্য রাঙিয়ে দিতে। তাই হয়তো মাঠে ফিরতেই অন্য রূপ! পোলিশ দেওয়াল গুঁড়িয়ে দিতে আর্জেন্টিনা সময় নিল এক মিনিটেরও কম। মেসির দায় শোধের প্রথম ভারটা নিলেন ম্যাক অ্যালিস্টার। গোলটা আসতেই যেন প্রাণ ফিরে পেল আর্জেন্টাইন গ্যালারি, প্রাণ ফিরে পেল দর্শকদের হাতে থাকা ডিয়েগো ম্যারাডোনার পোস্টারও। আর এগিয়ে গিয়ে আর্জেন্টিনা যেন আরও ধারালো।

এরপর আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেওয়ার ভারটা নিলেন আলভারেস। সেই আলভারেস যিনি শৈশব থেকে মেসির সঙ্গে বিশ্বকাপ খেলবেন বলে স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিলে তিলে বোনা সেই স্বপ্নকে রাঙানোর সুযোগটা হারাবেন কেন! ৬৮ মিনিটেই তাঁর এক চোখ ধাঁধানো গোলে ব্যবধান ২-০ করে আর্জেন্টিনা।

তখনই গ্যালারিতে ধরা পড়ল এক শিশু দর্শকের মুখ। আনন্দে তাঁর চোখ ছলছল। অনেক আকাঙ্ক্ষার গোল বলে কথা। মেসির জন্য সতীর্থরা যখন লড়ে গোল এনে দিচ্ছিলেন অন্য প্রান্তে বলের অপেক্ষাতেই কাটিয়ে দিলেন সময়ের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডফস্কি। পুরো ম্যাচে যাঁর দল কেবল রক্ষণে জবুথবু হয়েই কাটিয়ে দিয়েছে।