একরঙা পাঞ্জাবি যেন আবার ফিরে আসছে

উৎসবের পোশাকে সবাই চান নতুন ধারার নকশা। যদিও পোশাকে ঈদুল ফিতরের রেশই রয়ে গেছে। একরঙা পোশাকের জনপ্রিয়তা আরও জোরালো হয়েছে। এত দিন মেয়েদের পোশাকে মনোক্রম বা একরঙা পোশাকের যে আধিপত্য ছিল, উৎসবের পাঞ্জাবিতেও এবার তা ধরা দিয়েছে। একটু অন্যভাবে বলতে গেলে, পঞ্চাশ বা ষাটের দশকের একরঙা পাঞ্জাবি যেন আবার ফিরে আসছে।প্রতিবারই প্রিন্টে অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন দেখা যায়, এবারও হয়েছে। এখন প্রিন্ট আগের চেয়েও সাহসী ভূমিকায় আছে। যেমন পাঞ্জাবিজুড়েই রয়েছে লম্বা বা পাশাপাশি চেক প্রিন্ট, প্যাস্টেল টোনে ব্লক-স্টাইল প্রিন্ট, ডোরাকাটা বা উজ্জ্বল রঙিন ডোরাকাটার নকশা, ডাস্ট ডাই, সাধারণ চারকোনা ঘর, হেক্সা ও ডায়াগনাল আকারের জ্যামিতিক ছাপা নকশা, ডিজিটাল আউটডোর প্রিন্ট, টেক্সট প্রিন্ট, সুপার স্টার ও কসমিক প্যাটার্ন প্রিন্ট। পাশাপাশি রং, সুই-সুতা, কারচুপি, এমব্রয়ডারিসহ নানা অনুষঙ্গ ব্যবহার করে প্রিন্টগুলোকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে পোশাকের জমিনে।একরঙা, প্রিন্ট বা নকশাদার পাঞ্জাবির পাশাপাশি ছেলেরা এখন নানা ধরনের উজ্জ্বল রংও বেছে নিচ্ছেন। এর মধ্যে চলতি ধারায় রয়েছে সাদা, কমলা, লাল, হলুদ, গোলাপি, নীল, ধূসর, বাদামি, সবুজ, জলপাই, বেগুনি, ল্যাভেন্ডার—ইত্যাদি রঙের বিভিন্ন শেড। এ ছাড়া মিশ্র রং হিসেবে রয়েছে ক্রিমসন রেড, বার্ন অরেঞ্জ, পিচ, লাইট পিঙ্ক, অ্যাকুয়া গ্রিন, মাস্টার্ড ইয়েলোসহ নানা রং। চোখের জন্য আরামদায়ক রংগুলো সময় উপযোগী ও উৎসবধর্মী। পরিবেশ, আবহাওয়া ও আরামের বিষয়টি মাথায় রেখে কাপড় নির্বাচন করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে সুতি, লিনেন, টিস্যু, জর্জেট, সিল্ক, ডুপিয়ান সিল্ক, হাফ সিল্ক, সামু সিল্ক ইত্যাদি।