কোন খাবারটা সহ্য হয় না?

‘আমি তো দুধের তৈরি কোনো জিনিস খেতে পারি না। আমার সহ্য হয় না।’ কিংবা ‘রাতে রুটি খেতে বলছেন? ও বাবা, রুটি তো সহ্যই হয় না আমার।’ কিংবা ‘আমার তো শাক খেলেই পেট খারাপ হয়’—এ ধরনের কথাবার্তা প্রায়ই শুনে থাকবেন। আবার হজমের গোলমালের জন্য চিকিৎসক নাকি দুধ, দুধের তৈরি খাবার, ডাল, শাক সবই নিষেধ করেছেন খেতে। আসলে কোনো বিশেষ খাবার সহ্য করতে না পারা বা ফুড ইনটলারেন্স বিষয়টি বেশ রহস্যময়। কার যে কোন খাবারে সমস্যা হচ্ছে, তা বোঝা মুশকিল। তাই সবাইকে এক কাতারে ফেলে একধরনের উপদেশ দিলে চলে না।

: ফুড ইনটলারেন্স মানে কোনো বিশেষ খাবারের প্রতি কোনো বিশেষ মানুষের বিশেষ সংবেদনশীলতা। হয়তো ওই খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইমে ঘাটতি আছে তার, অথবা ওই খাবারের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি আছে।

: কোন খাবার খেলে বারবার সমস্যা হচ্ছে, এটা খেয়াল করুন। খাবারটি খাওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে বমি ভাব, বমি, পাতলা পায়খানা, পেটব্যথা, র‌্যাশ, পেট ফাঁপা ইত্যাদি হতে পারে। বোঝার জন্য ফুড ডায়েরি তৈরি করা ভালো। কোন কোন দিন পেটে বা হজমে সমস্যা হয়েছে, সেদিনগুলোতে লাল দাগ দিন। এবার ডায়েরিতে দেখুন ওই দিন কী কী খাবার খেয়েছেন। এভাবে টানা দুই সপ্তাহ পর জানা সম্ভব কোন খাবারে সমস্যা আছে।

: যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে, তাদের দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার হজম হয় না। এনজাইমের অভাবে দুধ গাজিয়ে যায় পেটে। শিশুদেরই বেশি হয় এটা। আবার গ্লুটেন সেনসিটিভিটিও শিশুকাল থেকেই দেখা যায়। গ্লুটেন আছে রুটি ও গমের তৈরি খাবারে। পিত্তথলি না থাকলে চর্বিযুক্ত ও ভাজা পোড়া খাবারে সমস্যা হবেই।

LEAVE A REPLY