হ্যামিলটন বলেন, ‘জীবনে আমি কখনো এতটা ভয় পাইনি। বুঝতে পারছিলাম না কী করতে হবে, তাই জরুরি সেবার নম্বর ৯১১-এ কল করি। টেলিফোন অপারেটরের সঙ্গে কথা বলার সময় বালিশ সরিয়ে দেখি দুই বালিশের মাঝে একখণ্ড পাথর।’
পরে জানা যায়, কানাডার দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে সেই রাতে উল্কাবৃষ্টি হয়। নিজের কোনো ক্ষতি হয়নি এতেই সন্তুষ্ট হ্যামিলটন। পাথরখণ্ডটি তিনি সংরক্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম, কয়েক ঘণ্টা বসেছিলাম, হাত-পা কাঁপছিল। অমন ঘটনা ঘটার আশঙ্কা খুব কম। বেঁচে আছি ভেবেই আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’






